Advanced search options
আবারো প্রতারণা অনলাইনে

১২০০ টাকা দামের দাড়ি কামানোর কিট। অথচ ফেসবুকে প্রায় ২০ শতাংশ ছাড়ে তা বিক্রি হচ্ছে। আকর্ষণীয় দাম দেখে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় মোমিনপুরের ক্রেতার। অনলাইনে অর্ডার করে যা পেলেন তাতে ভাঙা পাওয়ার ব্যাংক। এমনই এক প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে একবালপুর থানা এলাকার মোমিনপুর বাজারের এক ক্রেতার সঙ্গে। ক্রেতার নাম আব্দুর রহিম। তাঁর অভিযোগ, এক সপ্তাহ আগে অর্ডারের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর হাতে এসে পৌঁছয় সংস্থার পার্সেল। খুলে তিনি দেখেন, সেভিং কিটের জায়গায় ভিতরে রয়েছে একটি পাওয়ার ব্যাঙ্ক। প্রথমে একটু চমকে যান তিনি। ক্রেতার কথায়, আমি ভেবেছিলাম হয়তো অন্যের অর্ডার আমার কাছে চলে এসেছে। ভালো করে খুলে দেখি পাওয়ার ব্যাঙ্ক ভাঙা। সেটি কাজও করছে না। এরপরেই সেই পাওয়ার ব্যাঙ্কটি খুলে দেখেন মাটির তাল ভরা রয়েছে সেটিতে। তখনই ক্রেতা বোঝেন প্রতারিত হয়েছেন তিনি।
দ্রুত ডেলিভারি বয়কে ফোন করেন ক্রেতা। তাঁর অভিযোগ, ডেলিভারি বয় বলেন, এই বিষয়ে আমার কিছু করার নেই। কোম্পানিকে ফোন করুন। কর্তৃপক্ষ আপনার জিনিস বদলে দেবে। সেই কথামতো, কর্তৃপক্ষকে ফোন করেন আব্দুর। কিন্তু, সেখান থেকে আর কোনও উত্তর মিলছে না বলে সূত্রের খবর। বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য পুনরায় একটি দাড়ি কামানোর মেশিন অর্ডার করেন আব্দুর। তবে এবার আর টাকা আগে পেমেন্ট করেননি। সামগ্রী আসতেই সেটি খুলে দেখেন ক্রেতা। দেখেন এবার একই জিনিস। সেভিং কিটের জায়গায় এসেছে পাওয়ার ব্যাঙ্ক। সেটিতেই ভর্তি মাটি। ডেলিভারি বয়কে বেশ কিছুক্ষণ আটকে রাখেন তাঁরা। যদিও কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলেই জানিয়েছেন অভিযোগকারী। এপ্রসঙ্গে, সাইবার বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কোনওরকম সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্ম থেকে সামগ্রী অর্ডার না করাই ভালো। অতীতেই এধরনের একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতারণার ছক ফেঁদে এধরনের ভুয়ো সামগ্রী ডেলিভারি করা হয়।